যশোরে মৃত্তিকা দিবস পালন, প্রতিবছর ৬৯ হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি হচ্ছে

অথর
নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ৪:৫১ অপরাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে : 16 বার
যশোরে মৃত্তিকা দিবস পালন, প্রতিবছর ৬৯ হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি হচ্ছে যশোরে মৃত্তিকা দিবস পালন, প্রতিবছর ৬৯ হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি হচ্ছে

যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পালিত হয়েছে। বুধবার সকালে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউটের আয়োজনে শোভাযাত্রা ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘মৃত্তিকা দূষণ করি অনুশাসন’ (Be the solution to soil pollution)।

এদিন বেলা ১১টায় শহরের পালবাড়ির রওশন আলী সড়কে অবস্থিত মৃত্তিকা ভবন থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি পালবাড়ি ভাস্কর্যের মোড়সংলগ্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে তেঁতুলতলা হয়ে মৃত্তিকা ভবনে শেষ হয়।

পরে মৃত্তিকা ভবন অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের আঞ্চলিক মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্ব আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউট যশোর জেলা কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জিএম মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি উল্লেখ করেন, মাটির জৈব পদার্থ, পিএইচ, নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও সালফারসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী ও বর্তমান সময়ে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়। প্রায় ৩৭ লাখ হেক্টর জমিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ শতকরা ১.৭ ভাগের নিচে। প্রায় ২.৫ লাখ হেক্টর জমি অত্যধিক অম্লতায় আক্রান্ত এবং ১০ লাখ ৫৬ হাজার হেক্টর জমি লবণাক্ততার বিভিন্ন মাত্রায় আক্রান্ত।

তিনি জানান, প্রতিবছর প্রায় ৬৮ হাজার ৭৬০ হেক্টর (০.৭৩%) আবাদি জমি অনাবাদি জমিতে পরিণত হচ্ছে। রাসায়নিক সারের যথেচ্ছা ব্যবহার, নিবিড় চাষাবাদ, ভেজাল সার ও অপরিকল্পিতভাবে কীটনাশক ব্যবহারের কারণে মাটির স্বাস্থ্য ও পরিবেশ দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হোসাইন শওকত, বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. সুনীল কুমার রায়, হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক বিনয় কুমার সাহা, বিএডিসির (বীজ বিপনন) খুলনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক প্রকাশ কান্তি মণ্ডল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর যশোরের উপপরিচালক জনাব এমদাদ হোসেন শেখ।

এছাড়া তুলা উন্নয়ন বোর্ড, সিমিট, কৃষি বিপনন, ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের চাষিরা এতে অংশ নেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

five × one =


আরও পড়ুন