চুয়াডাঙ্গায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত

অথর
নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :৮ নভেম্বর ২০১৮, ৭:১৬ পূর্বাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে : 14 বার
চুয়াডাঙ্গায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত চুয়াডাঙ্গায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আবুল বাশার ওরফে পাপ্পু খোঁড়া নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

বুধবার রাত ৩টার দিকে সদর উপজেলার উজলপুর মাঠে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

পুলিশের দাবি, নিহত পাপ্পু খোঁড়া এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকসহ ৬টি মামলা রয়েছে। তিনি সদর উপজেলার আকন্দবাড়িয়া গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে।

তবে নিহত পাপ্পু খোঁড়ার পরিবারের দাবি, সোমবার আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার সময় তাকে কয়েকজন তুলে নিয়ে যায়। এর পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি সীমান্ত এলাকা থেকে মাদকের চালান আসছে।

এমন খবর পেয়ে পুলিশ সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের উজলপুর-খাড়াগোদা মাঠে ওঁৎ পেতে থাকে। মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

একপর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটে। গোলাগুলির শব্দ পেয়ে গ্রামবাসী মাঠে উপস্থিত হন। তাদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। গ্রামবাসী ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করেন। তার নাম আবুল বাশার ওরফে পাপ্পু খোঁড়া।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পাপ্পু খোঁড়াকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে একটি শুটারগান, দুই রাউন্ড গুলি, ৪টি হাতবোমা ও এক বস্তা ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

পাপ্পু খোঁড়া এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকসহ ৬টি মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি।

এদিকে নিহত পাপ্পু খোঁড়ার পরিবারের দাবি, আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার সময় তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

পাপ্পু খোঁড়ার ভাগনে একই গ্রামের প্রকাশ জানান, গত সোমবার মামা পাপ্পু খোঁড়া তার শ্বশুর আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা আদালতে একটি মামলার হাজিরা দিতে যান। বেলা পৌনে ১২টার দিকে তিনি আদালতের গেট দিয়ে বের হন। এ সময় কয়েকজন এসে তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়। এর পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

প্রকাশ আরও জানান, মামা পাপ্পু খোঁড়া ২০১৭ সালের মার্চ মাসে পুলিশের আমন্ত্রণে মাদক ব্যবসা ছেড়ে সাধারণ জীবনযাপন শুরু করেন। এ ছাড়া তিনি দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোম্পানি এলাকার একজন বড় আখচাষি ছিলেন। প্রতি বছর ৬০-৭০ বিঘা আখ লাগাতেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

16 + 15 =


আরও পড়ুন