পারফরম্যান্সের গ্রাফ ঊর্ধ্বগামী : প্রধান নির্বাচক

অথর
নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :২১ মে ২০১৯, ৫:৫২ পূর্বাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে : 26 বার
পারফরম্যান্সের গ্রাফ ঊর্ধ্বগামী : প্রধান নির্বাচক পারফরম্যান্সের গ্রাফ ঊর্ধ্বগামী : প্রধান নির্বাচক

আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে দলের সঙ্গেই ছিলেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। মাশরাফি বিন মুর্তজা, তাসকিন আহমেদের সঙ্গে দেশে ফিরেছেন তিনি। সিরিজজুড়ে ম্যানেজারের দায়িত্বে থেকে প্রথম বহুজাতিক টুর্নামেন্টের ট্রফি জয়ের ইতিহাসের অংশ হয়েছেন প্রধান নির্বাচক।

আয়ারল্যান্ডে বড় সাফল্যের পর গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে বেশ আশাবাদী শোনালো নান্নুর কণ্ঠ। ত্রিদেশীয় সিরিজের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা বিশ্বকাপে আশা করছেন তিনি। তার মতে, দলটা যদি ত্রিদেশীয় সিরিজে পাওয়া আত্মবিশ্বাস ও ধারাবাহিকতা বিশ্বকাপে নিয়ে যেতে পারে তবে বিশ্বকাপের মঞ্চেও বড় সাফল্য আসতে পারে।

ওয়ানডেতে দল হিসেবে বাংলাদেশ ক্রমেই উন্নতি করছে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে জানিয়ে প্রধান নির্বাচক গতকাল বলেছেন, ‘যে কোনো পারফরম্যান্সই স্বস্তির, যদি সেটা ভালো পারফরম্যান্স হয়। সবমিলিয়ে আমাদের পারফরম্যান্সের গ্রাফ ঊর্ধ্বগামী। অবশ্যই আমাদের ভালো করার গতিটা রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, যদি ত্রিদেশীয় সিরিজের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা বিশ্বকাপে ধরে রাখতে পারে এই দল, তাহলে বিশ্বকাপে বড় কিছু হবে।’

পারফরমারের সংখ্যা বেড়েছে বাংলাদেশ দলে। পাঁচ সিনিয়রের বাইরে তরুণরাও পারফর্ম করছেন। নান্নুর মতে, এটাই দলের ভারসাম্য তৈরি করছে। সৌম্য-লিটনরা ফর্মে ফিরেছেন বলেও মনে করেন তিনি।

প্রধান নির্বাচক গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে বলেছেন, ‘দলের মাঝে ভারসাম্য থাকা সবসময় ভালো। এটা খেলোয়াড়দের পারফর্ম করতে সাহায্য করে। দল হিসেবে খেললে, দলের স্পিরিট ঠিক থাকে। যখন একাদশে, একাদশের বাইরেও পারফরমার থাকে, এটা যে কোনো দলের জন্য ভালো লক্ষণ। দলের পারফরম্যান্স ও সফলতার জন্য যখন যাকে দরকার হয় ব্যবহার করা হয়। দলের জন্যও স্বস্তি যে বেঞ্চে কিছু পারফরমার থাকছে। তাই এটা অনেক বড় অর্জন। আমার মনে হয় সৌম্য, মোসাদ্দেক, লিটন ফর্মে ফিরেছে। এটা দলের জন্য প্লাস পয়েন্ট। এর মাধ্যমে খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকে। সবাইকে সতর্ক থাকতে হয়।’

ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে আইরিশ কন্ডিশনে বোলাররা ভালোই করেছেন বলে মনে করেন নান্নু। মাশরাফি, মুস্তাফিজ ছয়টি করে, আবু জায়েদ রাহী এক ম্যাচে পাঁচটি উইকেট নিয়েছেন। প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘আয়ারল্যান্ডের কন্ডিশন অনুযায়ী বোলাররা আরো ভালো করতে পারত, যা তারা করেছে। আমার মনে হয়, আমাদের বোলিং লাইনে একটা ভারসাম্য আছে। কারণ তারা কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে পারছে। এই দিক থেকে আপনি বলতে পারেন, ত্রিদেশীয় সিরিজে বোলাররা ভালোই করেছে। ওভার প্রতি রান রেট ছয়ের নিচে রাখা গুরুত্বপূর্ণ এবং এই মিশনে বোলাররা সফল কারণ উইকেট ফ্লাট ছিল।’

এই ত্রিদেশীয় সিরিজের মাধ্যমে ক্রিকেটাররা বুঝতে পেরেছেন ফ্লাট উইকেটে কিভাবে ব্যাটিং, বোলিংটা করতে হবে। এই অভিজ্ঞতা বিশ্বকাপে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন নান্নু। সাবেক এই অধিনায়ক বলেছেন, ‘এমন ফ্লাট ট্র্যাকে ব্যাটিং করতে গেলেও ছয়-সাত করে রান তুলতে হয়। আপনারা দেখেছেন, এখন আমাদের বোলাররা ম্যাচের অবস্থান বুঝতে পারছে। বিশ্বকাপের আগে আয়ারল্যান্ডের কন্ডিশনে ত্রিদেশীয় সিরিজটা খেলতে পেরে খুব ভালো হয়েছে। খেলোয়াড়রা বুঝতে পেরেছে এসব কন্ডিশনে কিভাবে ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং করতে হয়। আমি মনে করি, আমরা যদি এই আত্মবিশ্বাস, পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা বিশ্বকাপেও নিয়ে আসতে পারি, তাহলে বিশ্বকাপে অতীতের চেয়ে ভালো কিছু হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে  সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

one × five =