দেশ থেকে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতেই ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিলো: জননেতা আতাউর রহমান আতা

অথর
রেজা আহাম্মেদ জয়  কুষ্টিয়া
প্রকাশিত :২১ আগস্ট ২০১৯, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে : 71 বার
দেশ থেকে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতেই ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিলো: জননেতা আতাউর রহমান আতা

কুষ্টিয়ায় মহিলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে আলোচনা সভা

 

রেজা আহাম্মেদ জয়:
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট নারকীয় গ্রেনেড হামলা বিএনপি-জামায়াত জোট তথা খালেদা-নিজামীর নীলনকশা এবং জঙ্গিবাদ উত্থানের ভয়ঙ্কর দৃষ্টান্ত ছিল বলে মন্তব্য করেন নেতৃবৃন্দ।
কুষ্টিয়া জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে বুধবার (২১আগষ্ট) বিকেলে শহরের আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ২১আগষ্ট গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে আলোচনা সভা ও ১৫আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তার পরিবারের যে সকল সদস্যকে হত্যা করেছিলো তাদের আত্মার মাগফিরত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জেবুননিছা সবুজ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জননেতা আতাউর রহমান আতা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড. সামস তানিম মুক্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক আফরোজা আক্তার ডিউ, সদস্য মর্জিনা খাতুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এ্যাড. মঞ্জুরি বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল মাওয়া রনি, সেলিনা হক আয়না, শহর মহিলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক জাহানারা বেগম মিলি সহ দলীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথি বলেন, বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা গ্রেনেড হামলার সেই ভয়াবহতায় হতবাক হয়েছিলেন তারা। এটা কোনো সাধারণ ঘটনা ছিল না, ছিল রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ। দেশ থেকে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতেই এ হামলা চালানো হয়েছিলো। তৎকালীন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায়ই নারকীয় এই গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল। সেদিনের হামলায় আইভি রহমানসহ ২৪ জন প্রাণ হারালেও ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঘাতকদের মূল টার্গেট ছিল তাকে হত্যা করার মাধ্যমে দেশ থেকে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া।

সেদিনের স্মৃতিচারণ করে বক্তারা বলেন, সেদিন পুরোপুরি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় বিএনপি-জামায়াত পরিকল্পিতভাবেই সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালায়। তৎকালীন সরকারের মন্ত্রী, আমলা, পুলিশ-গোয়েন্দা, রাজনৈতিক নেতা এবং মুফতি হান্নানের হরকাতুল জিহাদ আল বাংলাদেশ (হুজি) ঐক্যবদ্ধভাবে এ নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালায়। দীর্ঘ ১৫ বছর অতিবাহিত হলেও সেই হামলার কথা মনে হলে গা শিউরে ওঠে। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া মাহফিল ও সাধারনের মাঝে গনভোজ বিতরন করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে  সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

five × 4 =


আরও পড়ুন