আইএমএফের প্রথম প্রধান নারী অর্থনীতিবিদ গীতা কৃষকের মেয়ে

অথর
নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :১০ জানুয়ারি ২০১৯, ১:৫৭ অপরাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে : 66 বার
আইএমএফের প্রথম প্রধান নারী অর্থনীতিবিদ গীতা কৃষকের মেয়ে আইএমএফের প্রথম প্রধান নারী অর্থনীতিবিদ গীতা কৃষকের মেয়ে

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রধান অর্থনীতিবিদের দায়িত্ব নেয়া গীতা গোপীনাথের জন্ম কলকাতায় এক কৃষক পরিবারে।

প্রতিষ্ঠানটির একাদশ প্রধান অর্থনীতিবিদ ও প্রথম কোনো নারী হিসেবে তিনি এই দায়িত্বে যুক্ত হন। রঘুরাম রাজনের পর তিনিই এই দায়িত্ব নেয়া প্রথম ভারতীয়।

নয়াদিল্লির লেডি শেরি রাম কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক করার পর নয়াদিল্লির স্কুল অব ইকোনমিক্স থেকে মাস্টার্স করেন।

দিল্লি ও যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা নিয়ে ৪৮ বছর বয়সী গীতা ২০০৫ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। ২০১০ সালে সেখানে স্থায়ী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব শুরু করেন।

তার বাবা একজন কৃষক এবং মা গৃহবধূ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান অর্থনীতিবিদ মরিস ওবস্টফেল্ডের স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি।

কলকাতায় জন্ম নিলেও বেড়ে উঠেছেন মহীশূরে। সেখানকার স্কুলেই পড়াশোনা করা গীতা ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি করেন।

এরপরই শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন তিনি।

জি ২০-এর অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরামর্শদাতা কমিটির সদস্য ছিলেন গীতা। এর আগে তিনি কেরালার পিনারাই বিজয়ন সরকারের আর্থিক উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন।

বিশ্বের ৪৫ বছরের কম বয়সী ২৫ জন প্রথম সারির অর্থনীতিবিদ হিসেবে ২০১৪ সালে আইএমএফের স্বীকৃতি পান গীতা।

গত বছরের পহেলা অক্টোবর আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টিন লিগার্ড প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা বিভাগের অর্থনৈতিক পরামর্শক ও পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেন তাকে।

গীতা গোপীনাথ বলেন, স্নাতক পড়ার সময় অর্থনীতিবিদ হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে তিনি সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৯০-৯১ সালে ভারতের বৈদেশিক অর্থনৈতিক ও মুদ্রা সংকটে তিনি এটা পেশা হিসেবে বেছে নিতে অনুপ্রাণিত হন।

তিনি বলেন, এতে অর্থনীতির ওপর স্নাতক করতে আমি উৎসাহবোধ করি এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতি নিয়ে আমার আগ্রহের ভিত্তি তৈরি হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1
    Share

শেয়ার করে  সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

6 + fourteen =